বাংলাদেশে নোবেল পাওয়ার যোগ্য শুধু শেখ হাসিনা
Page 1 of 1 • Share •
বাংলাদেশে নোবেল পাওয়ার যোগ্য শুধু শেখ হাসিনা
সাংবাদিকদের অ্যাটর্নি জেনারেল : বাংলাদেশে নোবেল পাওয়ার যোগ্য শুধু শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা
ড. ইউনূসের রিট খারিজ হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, দেশে
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির
নেতা সন্তু লারমা। আমার দৃষ্টিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে শুধু এ
দু’জনই হচ্ছেন যোগ্য ব্যক্তি। নোবেল পুরস্কার পাননি বলে শান্তি প্রতিষ্ঠায়
তাদের অবদান ছোট হয়ে যাবে না। আর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বলেই যে ড.
ইউনূসের সব কাজ বৈধ হয়ে যাবে, বিষয়টি এমনও নয়। অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিকদের দিকে প্রশ্ন রেখে বলেন, মাদার তেরেসাও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার
পেয়েছেন। কিন্তু তিনি তো প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য চেষ্টা করেননি?
নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূসের রিট খারিজ করে হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পর
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে আদালতের রায়
সম্পর্কে বলেন, ১৯৯৯ সালের পর থেকে ড. ইউনূসের নিয়োগ অবৈধ। ৬০ বছর
উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইন অনুযায়ী তার নিয়োগ বৈধ ছিল না। ওই সময় গ্রামীণ
ব্যাংক শুধুম ড. ইউনূসের জন্যই তাদের রেজুলেশন পরিবর্তন করেছে। এ বিষয়ে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। তাছাড়া তাকে দ্বিতীয়বার
নিয়োগ দেয়ার সময় গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড অব ডিরেক্টরস যে সিদ্ধান্ত
নিয়েছে সেটাও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান আইনের পরিপন্থী। এসব বিবেচনা
করেই আদালত যথাযথ রায় দিয়েছেন। আদালতের এ রায়ে দেশে আইনের শাসনের বিজয়
হয়েছে। কেউ প্রভাবশালী হলেই তিনি আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন না, আদালতের রায়ে
সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।
সরকার নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে অপমানিত করেছে বলে তার আইনজীবীদের অভিযোগ
সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, তার নোবেল
বিজয়ের সঙ্গে আদালতের রায় কিংবা তাকে অপসারণের কোনো সম্পর্ক নেই। ড.
ইউনূস নোবেল অর্জন করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে নয়। তিনি ব্যক্তি
হিসেবে এটা পেয়েছেন। আদালতের আদেশে তার নোবেল অর্জনের বৈধতা নিয়ে কোনো
প্রশ্ন উঠবে কি-না? এ প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মামলার সঙ্গে
পুরস্কারের কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া নোবেল পুরস্কার পেলেই কারও অবৈধ কাজ
বৈধ হতে পারে না। এটা আইনেরও কোনো বিধান নয়। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার
পাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ
অবদানের জন্য যে পুরস্কারটা দেয়া হয়, মূলত সেটাই হচ্ছে ‘শান্তিতে নোবেল’।
এ ক্ষেত্রে বলতে হয় যে, বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যদি কেউ নোবেল
পুরস্কার পাওয়া যোগ্য হন, তারা হচ্ছেন শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা।
দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে তারা দেশের তিন পার্বত্য জেলায় শান্তি
প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়েছেন। তারা যদি নোবেল পুরস্কার না পান, তাহলে তাদের এ
অবদান কোনো অবস্থায় খাটো হয়ে যাবে না।
স্মরণ করা যেতে পারে যে, বিদ্রোহী শান্তি বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে
অনেক আগেই। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায়
পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তত্কালীন যোগাযোগমন্ত্রী কর্নেল
(অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বে একটি সংসদীয় কমিটি গঠিত হয়। উভয় পক্ষের
আলোচনার পর ১৯৯১ সালে অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করা হয়। এ অস্ত্রবিরতি ১৯৯৬ সাল
পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকে এবং এরই ধারাবাহিকতায় শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পার্বত্য জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র
নারায়ণ লারমা বিদ্রোহ চলাকালে বাংলাদেশের সীমানার বাইরে নিজ বিদ্রোহীদের
হাতে নিহত হন।
পাইলাম কই খবর টা ? = এখানে খোচা মারেন
ড. ইউনূসের রিট খারিজ হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, দেশে
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির
নেতা সন্তু লারমা। আমার দৃষ্টিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেশে শুধু এ
দু’জনই হচ্ছেন যোগ্য ব্যক্তি। নোবেল পুরস্কার পাননি বলে শান্তি প্রতিষ্ঠায়
তাদের অবদান ছোট হয়ে যাবে না। আর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বলেই যে ড.
ইউনূসের সব কাজ বৈধ হয়ে যাবে, বিষয়টি এমনও নয়। অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিকদের দিকে প্রশ্ন রেখে বলেন, মাদার তেরেসাও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার
পেয়েছেন। কিন্তু তিনি তো প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য চেষ্টা করেননি?
নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূসের রিট খারিজ করে হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পর
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে আদালতের রায়
সম্পর্কে বলেন, ১৯৯৯ সালের পর থেকে ড. ইউনূসের নিয়োগ অবৈধ। ৬০ বছর
উত্তীর্ণ হওয়ার পর আইন অনুযায়ী তার নিয়োগ বৈধ ছিল না। ওই সময় গ্রামীণ
ব্যাংক শুধুম ড. ইউনূসের জন্যই তাদের রেজুলেশন পরিবর্তন করেছে। এ বিষয়ে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। তাছাড়া তাকে দ্বিতীয়বার
নিয়োগ দেয়ার সময় গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড অব ডিরেক্টরস যে সিদ্ধান্ত
নিয়েছে সেটাও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান আইনের পরিপন্থী। এসব বিবেচনা
করেই আদালত যথাযথ রায় দিয়েছেন। আদালতের এ রায়ে দেশে আইনের শাসনের বিজয়
হয়েছে। কেউ প্রভাবশালী হলেই তিনি আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন না, আদালতের রায়ে
সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।
সরকার নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে অপমানিত করেছে বলে তার আইনজীবীদের অভিযোগ
সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, তার নোবেল
বিজয়ের সঙ্গে আদালতের রায় কিংবা তাকে অপসারণের কোনো সম্পর্ক নেই। ড.
ইউনূস নোবেল অর্জন করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে নয়। তিনি ব্যক্তি
হিসেবে এটা পেয়েছেন। আদালতের আদেশে তার নোবেল অর্জনের বৈধতা নিয়ে কোনো
প্রশ্ন উঠবে কি-না? এ প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মামলার সঙ্গে
পুরস্কারের কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া নোবেল পুরস্কার পেলেই কারও অবৈধ কাজ
বৈধ হতে পারে না। এটা আইনেরও কোনো বিধান নয়। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার
পাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ
অবদানের জন্য যে পুরস্কারটা দেয়া হয়, মূলত সেটাই হচ্ছে ‘শান্তিতে নোবেল’।
এ ক্ষেত্রে বলতে হয় যে, বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যদি কেউ নোবেল
পুরস্কার পাওয়া যোগ্য হন, তারা হচ্ছেন শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা।
দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে তারা দেশের তিন পার্বত্য জেলায় শান্তি
প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়েছেন। তারা যদি নোবেল পুরস্কার না পান, তাহলে তাদের এ
অবদান কোনো অবস্থায় খাটো হয়ে যাবে না।
স্মরণ করা যেতে পারে যে, বিদ্রোহী শান্তি বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে
অনেক আগেই। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায়
পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তত্কালীন যোগাযোগমন্ত্রী কর্নেল
(অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বে একটি সংসদীয় কমিটি গঠিত হয়। উভয় পক্ষের
আলোচনার পর ১৯৯১ সালে অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করা হয়। এ অস্ত্রবিরতি ১৯৯৬ সাল
পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকে এবং এরই ধারাবাহিকতায় শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পার্বত্য জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মানবেন্দ্র
নারায়ণ লারমা বিদ্রোহ চলাকালে বাংলাদেশের সীমানার বাইরে নিজ বিদ্রোহীদের
হাতে নিহত হন।
পাইলাম কই খবর টা ? = এখানে খোচা মারেন
রাসেল আল মামুন- সন্মানিত

- পোষ্ট: 92
রেপুটেশন : 6
নিবন্ধন তারিখ : 09/03/2011
আউল- আমি নতুন

- পোষ্ট: 6
রেপুটেশন : 1
নিবন্ধন তারিখ : 24/09/2011
Page 1 of 1
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum
Register
mobile facebook