Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

মানব সভ্যতা বদলে দেয়া সাতটি ঔষধ

Go down

মানব সভ্যতা বদলে দেয়া সাতটি ঔষধ

Post by প্রসান্ত রয় on 2011-07-17, 14:51

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। বেশ অনেকদিন ধরে
অনলাইনে আসতে পারছিলাম না। আজ দীর্ঘ দেড় মাস পর অনলাইনে আসলাম। অনলাইনে এসে
বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে লেখা শুরু করে দিলাম। আমি আজকে যে বিষয়ে লিখছি, সেটা
হলো ঔষধ বা দাওয়াই যেটিকে ইংরেজীতে ম্যাডিসিন
(Medicine) বলা হয়। পৃথিবীতে আবিস্কৃত বেশ কিছু ঔষুধ পৃথিবীর দিনই বদলে
দিয়েছে। এ রকমই কিছু ঔষুধ সম্পর্কে আজ আমি আলোচনা করবো।
আফিমঃ


আফিম
এমন একটি জিনিস যা সমর্কে মোটামুটি সবাই জানেন? রাজনীতি, অর্থনীতি এবং
সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আফিম একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষুধ হিসেবে পরিচিত।
মানসিক অস্থিরতা ও বেদনানাশক ঔষুধ হিসেবে এখনও আফিম অনেক জায়গায় বহুলভাবে
ব্যবহার হচ্ছে।
গুটিবসন্ত টিকাঃ


অ্যাডওয়ার্ড
জেনার ১৭৯৮ সালে স্যাঁত-স্যাঁতে অঞ্চলে গো-বসন্ত দূর করার জন্য প্রথম টিকা
তৈরী করেন। পরে এই টিকা গুটিবসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়।
১৮৫৫ সালে মান্ট্রিয়েলে হঠাৎ ট্রেন-ভ্রমনকারীদের মধ্যে গুটিবসন্ত
মহামারীরুপে দেখা দিলে আক্রান্ত যাত্রীদের দ্রুত এই প্রতিষেধক দেওয়া হয়।
স্যালভারসানঃ


১৯১০
সালে পাওয়েল হারলিস সিফিলিস রোগের সংক্রমণের প্রতিরোধে স্যালভারসন
প্রতিষেধক হিসেবে প্রথম পরিচয় করিয়ে দেন। তাঁর এই বৈপ্লবিক উদ্ভাবণের জন্য
এখন তাঁকে কেমোথেরাপির জনক বলা হয়।
ইনসুলিনঃ


১৯২০
সালের শুরুর দিকের কথা। ফ্রেডরিক বেন্টিং এবং তাঁর সহকর্মীরা না খেয়ে থাকা
বহুমুত্র রোগীদের শরীর থেকে ইনসুলিন হরমোন আলাদা করেন। তার আগে অল্প কিছু
ঔষুধ ছিল, যা কি না অনেক রোগীই উপশমে কাজে লেগেছিল। ইনসুলিন এখন ডায়াবেটিস
নিয়ন্ত্রণের প্রধান ঔষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়।
পেনিসিলিনঃ


পেনিসিলিন
আবিস্কৃত হয় ১৯২৮ সালে, কিন্তু তখন এটিকে হেলাফেলা করা হয়েছিল। দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের সময় আবার নতুন করে এই প্রতিষেধকটি রোগসংক্রমিত একটি রেঞ্জের
সেনাসদস্যদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। তারপর থেকে পেনিসিলিন ব্যবহার হচ্ছে
নানান রোগের চিকিৎসায়।
ইনোভিডঃ


১৯৬০
সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইনোভিড নামের একটি জন্মনিরোধক ঔষুধ আবিস্কৃত হয়েছিল।
আর এই বড়ির উদ্ভবের ফলে ঘটে যায় এক বিপ্লব। ১৯৭০ সালে এটা যুক্তরাষ্ট্রের
জনসংখ্যা সমস্যা দূর করার কাজে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এটা সে সময় অনেক
স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞ এটির বিরোধিতা করেছিলেন। বর্তমান সময়ে জন্ম নিয়ন্ত্রনের
জন্য এটাই সবচেয়ে উন্নত পদ্ধতি।
থ্যালিডোমাইডঃ


মানসিক অস্থিরতা দমনের এই ঔষুধ আবিস্কার হয় ১৯৫০ সালের শেষ ও ১৯৬০ সালের
শুরুর দিকে। গর্ভকালীন সময়ে অনেকে ঔষুধটি সেবন করেছিলেন। ফলে তাদের শিশুরা
মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছিল কল্পনাতীতভাবে। চিকিৎসাবিদ্যার যখন চরম
দুর্ভোগ, তখন এটি একটি আমূল পরিবর্তন এনেছিল পৃথিবীতে। ১৯৯০ সালে
থ্যালিডোমাইডকে নতুন ভাবে কুষ্ঠ ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসার জটিলতা দূর করার
কাজে ব্যবহার করা শুরু হয়।

প্রসান্ত রয়
অতি নিয়মিত
অতি নিয়মিত

পোষ্ট : 78
রেপুটেশন : 7
নিবন্ধন তারিখ : 21/02/2011

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum