সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
Melbondhon :: সাহিত্য বিভাগ :: আত্ম কথা
Page 1 of 1 • Share •
সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
এ বছর অক্টোবরে পাঁচ বছরে পড়বে। অথচ এত পাকা পাকা কথা। মাঝে মাঝে খুব অবাক হতে হয়। এখনকার শিশুরা হয়তো এমনই। সারাদিন ব্যস্ততার কারণে ওর দিকে একটু খেয়াল নেবার সুযোগই হয়না।
কেউ কেউ বলে ঘুম কাতুরে। আদৌ কিন্তু তা না। অনেক রাত করে বাড়ি ফেরা, তারপর ঘুমানো। স্বাভাবিক ভাবেই সকালে দেরি করে ওঠা। কিন্তু প্রতিদিনই ঘুম ভাঙে অম্লানের ডাকে, আব্বু নয়টা বাজে; ওঠেন। তা সে এগারোটাই বাজুক আর আটটাই বাজুক। এমন ঘোষণা তার প্রতিদিনই। কাল সকালে এমনি করেই ডেকে উঠলো, নয়টা বাজে আব্বু। ঘড়িতে দেখি ঠিক তাই। বুঝলাম ওর মা পাঠিয়েছে। উঠেই পড়লাম। কখনও ওর দিকে ভাল করে তাকাবার ফুসরত হয়না। ওর সাথে কথা বলার ইচ্ছা হলো। কোলে তুলে ওর উষ্ণতা নিতে খুব ভাল লাগলো। বুকে নিয়ে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের-সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি-ছড়াটি ওকে শুনাচ্ছি। মাঝপথে আমাকে থামিয়ে প্রশ্ন করলো, আব্বু এত কথা কোথায় শিখলেন? বললাম, আমার স্যার শিখিয়েছেন। ও বললো, স্যার আর কি শিখিয়েছেন? ওর এমন প্রশ্নে অবাকই হলাম।
মনে পড়লো আমার অনেক শিক্ষকের কথা। মনে পড়লো মায়ের হাত ধরে বেজপাড়ার স্কুলে যাবার কথা। বাবার চাকরির সুবাদে যখন ঘোপে হাউজিং স্টাফ কোয়ার্টারে থাকি। একদিন বাড়ি ফেরার পথে মায়ের হাত ছেড়ে বড় বাজারের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম। তখন কেবলমাত্র স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি। মাকে হারিয়ে কিভাবে যেন দৌড়াতে দৌড়াতে বাসাতে ফিরে এসেছি। ভুলে গিয়েছিলাম মাকে হারিয়ে ফেলবার কথা। কিন্তু একাকি বাড়ি ফিরতে পারাই আনন্দ পেয়েছি বিশ্ব জয়ের। আর মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরেছেন সন্ধ্যায়। বাড়ি ফিরে আমাকে দেখে অনুভব করেছিলেন হাতের মুঠোয় বিশ্ব পাবার আনন্দ। আমার সব মনে আছে। মনে আছে মায়ের শরীরের সেদিনকার উষ্ণতার কথা। আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। যে উষ্ণতা পেতে প্রতি মুহূর্তেই ইচ্ছে করে। এমন উষ্ণতার জন্য অনেকবার জ্বরের ভান করে মায়ের কাছে গেছি। সব মনে পড়ে।
মনে পড়ে আমার প্রিয় শিক্ষক চিত্তরঞ্জন শিকদারের কথা। সুযোগ পেলেই যাকে স্মরণ করি। অদ্ভুত রকম ভালবাসতেন আমাকে। পড়াশোনায় খারাপ ছিলাম না কখনোই। একদিন পড়া করে যাইনি স্কুলে। স্যার শাস্তি দিয়েছিলেন আমাকে। স্কুল রুমের পাশে আলমগির কণ্ট্রাক্টরের কাঁঠাল গাছের পাতা ছিড়ে আনতে হবে। বুঝিনি এটা কেমন শাস্তি। বাইরে তখন কুকুর বেড়ালের চিৎকার। বৃষ্টি হচ্ছে সমানতালে। অনেকক্ষণ ভিজে ভিজে পাতা ছিড়লাম। কাক ভেজা ভিজে রুমে ফেরার পর স্যার হেসে দিলেন। বললেন, বৃষ্টিতে ভিজতে কেমন লাগে। দারুন না? ......কথাগুলো ভাবতে ভাল লাগে। অত্যন্ত কঠিন কঠোর রক্তচক্ষুর এই মানুষটি চলার পথে অনেক বার ঘুরে ফিরে এসেছেন।
পহেলা অক্টোবরের নির্বাচনের পর শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে; আরেক জনের বাসনার জন্য স্যারকে স্কুল থেকে সরিয়ে দেয়া হলো। স্যার একাকি তার চিরচেনা গ-ি স্কুল, স্কুলের মাঠ ছেড়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। একবারও ফিরে তাকাননি। জেনে কষ্ট পেয়েছিলাম। মনে আছে, যাবার পথে সেই প্রথম স্যারের চোখে চোখ রেখেছিলাম। দেখেছিলাম কঠিন চোখ দুটো কেমন কোমলতায় সিক্ত হয়ে অনেক কথা বলে.......।
অন্যের সঙ্গতঃ অনেক অসঙ্গতিগুলোই আহত করে। একই ভাবে আপ্লুত হই সঙ্গত-অসঙ্গত পাশাপাশিই থাকে ভেবে। ভাবতে ভাল লাগে একই পথ ধরে বেলায়েত মাস্টারদের সরে যাবার কথা ভেবে। সব কিছুই মনে করতে ভাল লাগে।
ভাল লাগে ভাবতে টিনের চাল বাড়ির বিনিময়ে যদি সেই ছোট্ট বেলাটি ফিরে পাওয়া যায়। রাত জেগে পড়ার কষ্টের বিনিময়ে যদি অম্লানের শিশু বেলাটিতে ভাগ বসানো যায়। পড়া না করে বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দকে যদি শাস্তি হিসেবে পাওয়া যায়।
অম্লানের জবাবে বলেছি, সবকিছু আমার শিক্ষকদের কাছ থেকে জেনেছি। অংক জেনেছি, বাংলা জেনেছি; কথা বলতে জেনেছি। কিন্তু ওকে বলতে পারিনি, ঈমাম সাহেবের মসজিদের কাঠ চুরির কথা। বলতে পারিনি চুরির কথা জেনে ফেলায় পান্না ভাইকে ঘর থেকে রং তুলিসহ বের করে দেবার খবর। বলতে পারিনি বন্ধুদের নিয়ে কলেজের গাছ থেকে কেটে রাখা ডাব খেয়ে ফেলার গল্প। জানাতে পারিনি এ জন্য আমাকে পঁচিশ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু খুব জানাতে ইচ্ছে করে, মসজিদ নির্মাণের আড়াই মন রড চুরির কথা। যার কোন শাস্তিই হয়নি খান সাহেবের।
আমার শিশু সন্তান, যে আমাকে আব্বু বলে ডাকে তাকে কি শিখাবো জানিনা। জানিনা প্রকৃত পিতা হয়ে উঠতে পারবো কিনা কখনো। ওকে বললাম, বড় হও সোনা; দেখ, একদিন সব শিখবে।
কেউ কেউ বলে ঘুম কাতুরে। আদৌ কিন্তু তা না। অনেক রাত করে বাড়ি ফেরা, তারপর ঘুমানো। স্বাভাবিক ভাবেই সকালে দেরি করে ওঠা। কিন্তু প্রতিদিনই ঘুম ভাঙে অম্লানের ডাকে, আব্বু নয়টা বাজে; ওঠেন। তা সে এগারোটাই বাজুক আর আটটাই বাজুক। এমন ঘোষণা তার প্রতিদিনই। কাল সকালে এমনি করেই ডেকে উঠলো, নয়টা বাজে আব্বু। ঘড়িতে দেখি ঠিক তাই। বুঝলাম ওর মা পাঠিয়েছে। উঠেই পড়লাম। কখনও ওর দিকে ভাল করে তাকাবার ফুসরত হয়না। ওর সাথে কথা বলার ইচ্ছা হলো। কোলে তুলে ওর উষ্ণতা নিতে খুব ভাল লাগলো। বুকে নিয়ে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের-সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি-ছড়াটি ওকে শুনাচ্ছি। মাঝপথে আমাকে থামিয়ে প্রশ্ন করলো, আব্বু এত কথা কোথায় শিখলেন? বললাম, আমার স্যার শিখিয়েছেন। ও বললো, স্যার আর কি শিখিয়েছেন? ওর এমন প্রশ্নে অবাকই হলাম।
মনে পড়লো আমার অনেক শিক্ষকের কথা। মনে পড়লো মায়ের হাত ধরে বেজপাড়ার স্কুলে যাবার কথা। বাবার চাকরির সুবাদে যখন ঘোপে হাউজিং স্টাফ কোয়ার্টারে থাকি। একদিন বাড়ি ফেরার পথে মায়ের হাত ছেড়ে বড় বাজারের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিলাম। তখন কেবলমাত্র স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি। মাকে হারিয়ে কিভাবে যেন দৌড়াতে দৌড়াতে বাসাতে ফিরে এসেছি। ভুলে গিয়েছিলাম মাকে হারিয়ে ফেলবার কথা। কিন্তু একাকি বাড়ি ফিরতে পারাই আনন্দ পেয়েছি বিশ্ব জয়ের। আর মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরেছেন সন্ধ্যায়। বাড়ি ফিরে আমাকে দেখে অনুভব করেছিলেন হাতের মুঠোয় বিশ্ব পাবার আনন্দ। আমার সব মনে আছে। মনে আছে মায়ের শরীরের সেদিনকার উষ্ণতার কথা। আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। যে উষ্ণতা পেতে প্রতি মুহূর্তেই ইচ্ছে করে। এমন উষ্ণতার জন্য অনেকবার জ্বরের ভান করে মায়ের কাছে গেছি। সব মনে পড়ে।
মনে পড়ে আমার প্রিয় শিক্ষক চিত্তরঞ্জন শিকদারের কথা। সুযোগ পেলেই যাকে স্মরণ করি। অদ্ভুত রকম ভালবাসতেন আমাকে। পড়াশোনায় খারাপ ছিলাম না কখনোই। একদিন পড়া করে যাইনি স্কুলে। স্যার শাস্তি দিয়েছিলেন আমাকে। স্কুল রুমের পাশে আলমগির কণ্ট্রাক্টরের কাঁঠাল গাছের পাতা ছিড়ে আনতে হবে। বুঝিনি এটা কেমন শাস্তি। বাইরে তখন কুকুর বেড়ালের চিৎকার। বৃষ্টি হচ্ছে সমানতালে। অনেকক্ষণ ভিজে ভিজে পাতা ছিড়লাম। কাক ভেজা ভিজে রুমে ফেরার পর স্যার হেসে দিলেন। বললেন, বৃষ্টিতে ভিজতে কেমন লাগে। দারুন না? ......কথাগুলো ভাবতে ভাল লাগে। অত্যন্ত কঠিন কঠোর রক্তচক্ষুর এই মানুষটি চলার পথে অনেক বার ঘুরে ফিরে এসেছেন।
পহেলা অক্টোবরের নির্বাচনের পর শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে; আরেক জনের বাসনার জন্য স্যারকে স্কুল থেকে সরিয়ে দেয়া হলো। স্যার একাকি তার চিরচেনা গ-ি স্কুল, স্কুলের মাঠ ছেড়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। একবারও ফিরে তাকাননি। জেনে কষ্ট পেয়েছিলাম। মনে আছে, যাবার পথে সেই প্রথম স্যারের চোখে চোখ রেখেছিলাম। দেখেছিলাম কঠিন চোখ দুটো কেমন কোমলতায় সিক্ত হয়ে অনেক কথা বলে.......।
অন্যের সঙ্গতঃ অনেক অসঙ্গতিগুলোই আহত করে। একই ভাবে আপ্লুত হই সঙ্গত-অসঙ্গত পাশাপাশিই থাকে ভেবে। ভাবতে ভাল লাগে একই পথ ধরে বেলায়েত মাস্টারদের সরে যাবার কথা ভেবে। সব কিছুই মনে করতে ভাল লাগে।
ভাল লাগে ভাবতে টিনের চাল বাড়ির বিনিময়ে যদি সেই ছোট্ট বেলাটি ফিরে পাওয়া যায়। রাত জেগে পড়ার কষ্টের বিনিময়ে যদি অম্লানের শিশু বেলাটিতে ভাগ বসানো যায়। পড়া না করে বৃষ্টিতে ভেজার আনন্দকে যদি শাস্তি হিসেবে পাওয়া যায়।
অম্লানের জবাবে বলেছি, সবকিছু আমার শিক্ষকদের কাছ থেকে জেনেছি। অংক জেনেছি, বাংলা জেনেছি; কথা বলতে জেনেছি। কিন্তু ওকে বলতে পারিনি, ঈমাম সাহেবের মসজিদের কাঠ চুরির কথা। বলতে পারিনি চুরির কথা জেনে ফেলায় পান্না ভাইকে ঘর থেকে রং তুলিসহ বের করে দেবার খবর। বলতে পারিনি বন্ধুদের নিয়ে কলেজের গাছ থেকে কেটে রাখা ডাব খেয়ে ফেলার গল্প। জানাতে পারিনি এ জন্য আমাকে পঁচিশ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু খুব জানাতে ইচ্ছে করে, মসজিদ নির্মাণের আড়াই মন রড চুরির কথা। যার কোন শাস্তিই হয়নি খান সাহেবের।
আমার শিশু সন্তান, যে আমাকে আব্বু বলে ডাকে তাকে কি শিখাবো জানিনা। জানিনা প্রকৃত পিতা হয়ে উঠতে পারবো কিনা কখনো। ওকে বললাম, বড় হও সোনা; দেখ, একদিন সব শিখবে।
আবু বাসার আখন্দ- আমি নতুন

- লিঙ্গ :

পোষ্ট: 18
রেপুটেশন : 1
নিবন্ধন তারিখ : 23/04/2011
অবস্থান : Magura
পেশা : সাংবাদিকতা
মনোভাব: জীবন যখন শুকায়
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
আপনার লেখা নিয়ে গেল মোরে
অতীতের স্মৃতি পাতায়,
মনে পরে গেল সবুজের গান
লেখ্য অতীত খাতায়!
সত্যি বলছি, আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে হারিয়ে গেলাম আমি আনন্দের ছোট বেলায়
আপনাকে যে + দিতেই হবে
অতীতের স্মৃতি পাতায়,
মনে পরে গেল সবুজের গান
লেখ্য অতীত খাতায়!
সত্যি বলছি, আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে হারিয়ে গেলাম আমি আনন্দের ছোট বেলায়
আপনাকে যে + দিতেই হবে
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
অনেক ধন্যবাদ আবু বাসার আখন্দ ভাই
রাসেল আল মামুন- সন্মানিত

- পোষ্ট: 92
রেপুটেশন : 6
নিবন্ধন তারিখ : 09/03/2011
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
Dhonyobad, Rasel Al Mamun.
Lekhata Porbar Jonyo.
Best Wises to All of You.
Abu Bashar Akhand
Lekhata Porbar Jonyo.
Best Wises to All of You.
Abu Bashar Akhand
আবু বাসার আখন্দ- আমি নতুন

- লিঙ্গ :

পোষ্ট: 18
রেপুটেশন : 1
নিবন্ধন তারিখ : 23/04/2011
অবস্থান : Magura
পেশা : সাংবাদিকতা
মনোভাব: জীবন যখন শুকায়
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
ছোটবেলার দিন গুলি সকলের কাছেই অনেক মজার অনেক আনন্দের

পারমিতা- আমি নিয়মিত

- লিঙ্গ :

পোষ্ট: 42
রেপুটেশন : 0
নিবন্ধন তারিখ : 17/04/2011
অবস্থান : দিল্লি, কোলকাতা, গৌহাটি এবং আগরতলা
পেশা : সাংবাদিকতা
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
Dhonyobad Paromita.
Kemon Achen Apni?
Cholche Kemon?
Best Wishes to You.
Kemon Achen Apni?
Cholche Kemon?
Best Wishes to You.
আবু বাসার আখন্দ- আমি নতুন

- লিঙ্গ :

পোষ্ট: 18
রেপুটেশন : 1
নিবন্ধন তারিখ : 23/04/2011
অবস্থান : Magura
পেশা : সাংবাদিকতা
মনোভাব: জীবন যখন শুকায়
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
আবু বাসার আখন্দ wrote:Dhonyobad Paromita.
Kemon Achen Apni?
Cholche Kemon?
Best Wishes to You.
িকরে ভাই বাংলা িলখতে পারেননা। বাংলা ফোরামে ইংিলশ কেন?


আশরাফ- আমি আন্তরিক

- লিঙ্গ :

পোষ্ট: 36
রেপুটেশন : 9
শুভ জন্মদিন: 23/04/1993
নিবন্ধন তারিখ : 08/05/2011
বয়স: 19
অবস্থান : নাখালপাড়া, ঢাকা, বাংলাদেশ
পেশা : ছাত্র
মনোভাব: রাগী
Re: সংলগ্ন-অসংলগ্ন পাশাপাশি
ছোট বেলা যে সকলের প্রিয়। ছোটবেলায় কত কিছুই না করেছি, খেলেছি মা ঠাকুরমা মুখ থেকে গল্প শুনেছি।ছোটবেলার কথা কি ভুলা যা।।

tapan- আমি আন্তরিক

- লিঙ্গ :

পোষ্ট: 37
রেপুটেশন : 0
নিবন্ধন তারিখ : 29/10/2011
Melbondhon :: সাহিত্য বিভাগ :: আত্ম কথা
Page 1 of 1
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum
Register
mobile facebook
