Melbondhon
এখানে আপনার নাম এবং ইমেলএড্রেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন
widgeo

http://melbondhon.yours.tv
CLOCK
Time in Kolkata:

দাঁতে দাগ ও করণীয়

Go down

দাঁতে দাগ ও করণীয়

Post by সুপ্রিয় on 2013-02-26, 20:03

বিভিন্ন কারণে মানুষের মুখের মধ্যে দাঁতের গায়ে নানা ধরনের অস্থায়ী ও স্থায়ী দাগের সৃষ্টি হয়। ফলে দাঁত দেখতে অসুন্দর হয় এবং অনেক দিন থাকায় মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হয়।
তাই কারো সামনে হাসি দিতে বা কথা বলতে নিজের কাছে লজ্জা বোধ হয়, পাশাপাশি অন্যেও একটু বিরক্তিকর অবস্থার সম্মুখীন হন। যারা অভিনয়, গান বা পাবলিক ফাংশনে বেশি কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে দাঁতে দাগ বা গন্ধ খুবই বাজে ব্যাপার।
কারণ
অস্থায়ী কারণ : ১. তামাকের দাগ দাঁতে দাগের অন্যতম কারণ তামাক বা সিগারেট। এর কারণে দাঁতে কালো ও বাদামি রঙের দাগ পড়ে। এটি দুই দাঁতের মাঝখানে ও জিভের দিকের অংশে বেশি জমা হয়। কারণ এসব স্থানে ব্রাশ ভালোভাবে লাগে না বা ব্রাশ করা একটু কঠিন।
২. পানের দাগ পান, সুপারি, চুন ও খয়ের সুস্থ দাঁতের গায়ে জমা হয়ে বাদামি রঙের দাগের সৃষ্টি করে।
৩. ওষুধজনিত কারণ আয়রন-জাতীয় ওষুধ সেবন করলে দাঁতে কালো রঙের দাগ পড়ে। কপার মিশ্রিত ফিলিং করলে দাঁতে কালো দাগ হতে পারে। তাছাড়া নলকূপের পানিতে প্রচুর পরিমাণ আয়রন থাকে, যারা এ পানি পান করেন তাদের ক্ষেত্রে দাঁতে প্রচুর দাগ দেখা যায়। সিলভার নাইট্রেট ও আয়ডোফরম ওষুধ ব্যবহার করায় দাতে দাগের সৃষ্টি হয়।
৪. বেভারেজ ও খাবার কোকাকোলা বা ড্রিংকসের ফলে অস্থায়ী দাগ হয়। তাছাড়া বিভিন্ন রঙমিশ্রিত খাবার বা হলুদ মিশ্রিত খাবার দাঁতে অস্থায়ী দাগের সৃষ্টি করে বা দাগের আসল রঙ নষ্ট করে।
স্থায়ী কারণ : ১. টেট্রাসাইকিনের দাগ এজাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক খেলে দাঁতে বাদামি বা হলদে রঙের দাগ হয়। এর কারণে দুধে বা স্থায়ী দাঁতে স্থায়ী দাগের সৃষ্টি হয়। তাই বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীন চার মাস বয়স থেকে জন্মের ছয় বছর পর্যন্ত এজাতীয় অ্যান্টিবায়েটিক মাকে বা শিশুকে খাওয়ানো যাবে না বা দেয়া উচিত নয়।
২. ফোরোসিস দাঁত তৈরিকালীন যদি অধিক পরিমাণ ফোরাইডযুক্ত পানি পান করা হয় তা হলে দাঁতে হলুদ বা বাদামি দাগের সৃষ্টি হয়। কোনো এলাকায় পানিতে যদি ০৩ পিপিএমের ঊর্ধ্বে ফোরাইডের পরিমাণ থাকে তা হলে ওইসব এলাকাতে এ ধরনের দাঁগের সৃষ্টি হয়। এর কারণে দাঁতের গায়ে ছোট ছোট ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
৩. আঘাতজনিত কারণ দাঁতে কোনো কারণে আঘাত লাগলে পরে ধীরে ধীরে দাঁত ডিসকালার হতে থাকে।
৪. জন্ডিস এর কারণে দাঁতে হলদে বা বাদামি রঙের দাগ সৃষ্টি হয়।
৫. অন্য কারণগুলো হলো বংশজনিত ত্রুটি, দন্তক্ষয় যোগ, অ্যানিমিয়া, থ্যালাসেমিয়া রোগ হলে দাঁতে দাগের সৃষ্টি হয়।
করণীয় : ১. অধিকাংশ অস্থায়ী দাগ ভালোভাবে ব্রাশ করলে উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২. একজন দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শে স্কেলিং ও পলিশিং করলে দাগ উঠে যায়।
৩. স্থায়ী দাগের জন্য দাগ ছোট হলে দাগ কেটে তুলে কালার ম্যাচিং ফিলিং করা যায়।
৪. পোরসেলিন ব্রাউনের মাধ্যমে ম্যাচিং করে দাগ ঢেকে দেয়া যায়।
৫. বিশেষ আলোর রশ্মির সাহায্যে কমপোজিট পেস্ট দিয়ে দাঁতের স্বাভাবিক রঙ ফিরিয়ে আনা যায়।
৬. ব্লিচিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক রঙ ফিরিয়ে আনা যায়।
৭. ধূমপান ত্যাগ করা ও নিয়মিত ব্রাশ করা।
৮. পানের সাথে খয়ের, চুন, সাদা না খেলে নিয়মিত ব্রাশ করা।
৯. অধিক ফোরাইডযুক্ত পানি পান না করা।
১০. শিশুকালে টেট্রাসাইকিন অ্যান্টিবায়োটিক না দেয়া।

সুপ্রিয়
আমি আন্তরিক
আমি আন্তরিক

পোষ্ট : 22
রেপুটেশন : 10
নিবন্ধন তারিখ : 23/02/2013

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum